বিষয় ভিত্তিক কোরানের আয়াতঃ কেয়ামত End of Universe

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

কেয়ামত
End of Universe

সূরা নং100,আয়াত নং9 أَفَلَا يَعْلَمُ إِذَا بُعْثِرَ مَا فِي الْقُبُورِ 
সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে 
Does he not know,- when that which is in the graves is scattered abroad

সূরা নং100,আয়াত নং10 وَحُصِّلَ مَا فِي الصُّدُورِ 
এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে? 
And that which is (locked up) in (human) breasts is made manifest-



সূরা নং100,আয়াত নং11 إِنَّ رَبَّهُمْ بِهِمْ يَوْمَئِذٍ لَخَبِيرٌ 
সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত। 
That their Lord had been Well-acquainted with them, (even to) that Day?



সূরা নং101,আয়াত নং4 يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ 
যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত 
(It is) a Day whereon men will be like moths scattered about,



সূরা নং101,আয়াত নং5 وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ 
এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত। 
And the mountains will be like carded wool.



সূরা নং101,আয়াত নং6 فَأَمَّا مَنْ ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ 
অতএব যার পাল্লা ভারী হবে, 
Then, he whose balance (of good deeds) will be (found) heavy,



সূরা নং101,আয়াত নং7 فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ 
সে সুখীজীবন যাপন করবে। 
Will be in a life of good pleasure and satisfaction.



সূরা নং101,আয়াত নং8 وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ 
আর যার পাল্লা হালকা হবে, 
But he whose balance (of good deeds) will be (found) light,-



সূরা নং101,আয়াত নং9 فَأُمُّهُ هَاوِيَةٌ 
তার ঠিকানা হবে হাবিয়া। 
Will have his home in a (bottomless) Pit.



সূরা নং102,আয়াত নং8 ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ 
এরপর অবশ্যই সেদিন তোমরা নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। 
Then, shall ye be questioned that Day about the joy (ye indulged in!).



সূরা নং11,আয়াত নং7 وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۗ وَلَئِنْ قُلْتَ إِنَّكُمْ مَبْعُوثُونَ مِنْ بَعْدِ الْمَوْتِ لَيَقُولَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ 
তিনিই আসমান ও যমীন ছয় দিনে তৈরী করেছেন, তাঁর আরশ ছিল পানির উপরে, তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যদি আপনি তাদেরকে বলেন যে, “নিশ্চয় তোমাদেরকে মৃত্যুর পরে জীবিত ওঠানো হবে, তখন কাফেরেরা অবশ্য বলে এটা তো স্পষ্ট যাদু!”; 
He it is Who created the heavens and the earth in six Days – and His Throne was over the waters – that He might try you, which of you is best in conduct. But if thou wert to say to them, “Ye shall indeed be raised up after death”, the Unbelievers would be sure to say, “This is nothing but obvious sorcery!”



সূরা নং15,আয়াত নং85 وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ ۗ وَإِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ ۖ فَاصْفَحِ الصَّفْحَ الْجَمِيلَ 
আমি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন। 
We created not the heavens, the earth, and all between them, but for just ends. And the Hour is surely coming (when this will be manifest). So overlook (any human faults) with gracious forgiveness.



সূরা নং2,আয়াত নং177 لَيْسَ الْبِرَّ أَنْ تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَٰكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُوا ۖ وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ وَحِينَ الْبَأْسِ ۗ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ 
সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। 
It is not righteousness that ye turn your faces Towards east or West; but it is righteousness- to believe in Allah and the Last Day, and the Angels, and the Book, and the Messengers; to spend of your substance, out of love for Him, for your kin, for orphans, for the needy, for the wayfarer, for those who ask, and for the ransom of slaves; to be steadfast in prayer, and practice regular charity; to fulfil the contracts which ye have made; and to be firm and patient, in pain (or suffering) and adversity, and throughout all periods of panic. Such are the people of truth, the Allah-fearing.



সূরা নং2,আয়াত নং46 الَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُمْ مُلَاقُو رَبِّهِمْ وَأَنَّهُمْ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ 
যারা একথা খেয়াল করে যে, তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে স্বীয় পরওয়ারদেগারের এবং তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে। 
Who bear in mind the certainty that they are to meet their Lord, and that they are to return to Him.



সূরা নং2,আয়াত নং48 وَاتَّقُوا يَوْمًا لَا تَجْزِي نَفْسٌ عَنْ نَفْسٍ شَيْئًا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا شَفَاعَةٌ وَلَا يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ 
আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। 
Then guard yourselves against a day when one soul shall not avail another nor shall intercession be accepted for her, nor shall compensation be taken from her, nor shall anyone be helped (from outside).



সূরা নং34,আয়াত নং3 وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَأْتِينَا السَّاعَةُ ۖ قُلْ بَلَىٰ وَرَبِّي لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَالِمِ الْغَيْبِ ۖ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ 
কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। 
The Unbelievers say, “Never to us will come the Hour”: Say, “Nay! but most surely, by my Lord, it will come upon you;- by Him Who knows the unseen,- from Whom is not hidden the least little atom in the heavens or on earth: Nor is there anything less than that, or greater, but is in the Record Perspicuous:



সূরা নং34,আয়াত নং42 فَالْيَوْمَ لَا يَمْلِكُ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا وَنَقُولُ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذُوقُوا عَذَابَ النَّارِ الَّتِي كُنْتُمْ بِهَا تُكَذِّبُونَ 
অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর। 
So on that Day no power shall they have over each other, for profit or harm: and We shall say to the wrong-doers, “Taste ye the Penalty of the Fire,- the which ye were wont to deny!”



সূরা নং36,আয়াত নং51 وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَإِذَا هُمْ مِنَ الْأَجْدَاثِ إِلَىٰ رَبِّهِمْ يَنْسِلُونَ 
শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখনই তারা কবর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে চলবে। 
The trumpet shall be sounded, when behold! from the sepulchres (men) will rush forth to their Lord!



সূরা নং36,আয়াত নং52 قَالُوا يَا وَيْلَنَا مَنْ بَعَثَنَا مِنْ مَرْقَدِنَا ۜ ۗ هَٰذَا مَا وَعَدَ الرَّحْمَٰنُ وَصَدَقَ الْمُرْسَلُونَ 
তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল? রহমান আল্লাহ তো এরই ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং রসূলগণ সত্য বলেছিলেন। 
They will say: “Ah! Woe unto us! Who hath raised us up from our beds of repose?”… (A voice will say:) “This is what (Allah) Most Gracious had promised. And true was the word of the messengers!”



সূরা নং36,আয়াত নং53 إِنْ كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌ لَدَيْنَا مُحْضَرُونَ 
এটা তো হবে কেবল এক মহানাদ। সে মুহুর্তেই তাদের সবাইকে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে। 
It will be no more than a single Blast, when lo! they will all be brought up before Us!



সূরা নং36,আয়াত নং54 فَالْيَوْمَ لَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا وَلَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ 
আজকের দিনে কারও প্রতি জুলুম করা হবে না এবং তোমরা যা করবে কেবল তারই প্রতিদান পাবে। 
Then, on that Day, not a soul will be wronged in the least, and ye shall but be repaid the meeds of your past Deeds.



সূরা নং36,আয়াত নং55 إِنَّ أَصْحَابَ الْجَنَّةِ الْيَوْمَ فِي شُغُلٍ فَاكِهُونَ 
এদিন জান্নাতীরা আনন্দে মশগুল থাকবে। 
Verily the Companions of the Garden shall that Day have joy in all that they do;



সূরা নং4,আয়াত নং136 يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا آمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَىٰ رَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي أَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ ۚ وَمَنْ يَكْفُرْ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا 
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে। 
O ye who believe! Believe in Allah and His Messenger, and the scripture which He hath sent to His Messenger and the scripture which He sent to those before (him). Any who denieth Allah, His angels, His Books, His Messengers, and the Day of Judgment, hath gone far, far astray.



সূরা নং46,আয়াত নং17 وَالَّذِي قَالَ لِوَالِدَيْهِ أُفٍّ لَكُمَا أَتَعِدَانِنِي أَنْ أُخْرَجَ وَقَدْ خَلَتِ الْقُرُونُ مِنْ قَبْلِي وَهُمَا يَسْتَغِيثَانِ اللَّهَ وَيْلَكَ آمِنْ إِنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ فَيَقُولُ مَا هَٰذَا إِلَّا أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ 
আর যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বলে, ধিক তোমাদেরকে, তোমরা কি আমাকে খবর দাও যে, আমি পুনরুত্থিত হব, অথচ আমার পূর্বে বহু লোক গত হয়ে গেছে? আর পিতা-মাতা আল্লাহর কাছে ফরিযাদ করে বলে, দুর্ভোগ তোমার তুমি বিশ্বাস স্থাপন কর। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তখন সে বলে, এটা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ নয়। 
But (there is one) who says to his parents, “Fie on you! Do ye hold out the promise to me that I shall be raised up, even though generations have passed before me (without rising again)?” And they two seek Allah’s aid, (and rebuke the son): “Woe to thee! Have faith! for the promise of Allah is true.” But he says, “This is nothing but tales of the ancients!”



সূরা নং46,আয়াত নং6 وَإِذَا حُشِرَ النَّاسُ كَانُوا لَهُمْ أَعْدَاءً وَكَانُوا بِعِبَادَتِهِمْ كَافِرِينَ 
যখন মানুষকে হাশরে একত্রিত করা হবে, তখন তারা তাদের শত্রু হবে এবং তাদের এবাদত অস্বীকার করবে। 
And when mankind are gathered together (at the Resurrection), they will be hostile to them and reject their worship (altogether)!



সূরা নং69,আয়াত নং13 فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ 
যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে-একটি মাত্র ফুৎকার 
Then, when one blast is sounded on the Trumpet,



সূরা নং69,আয়াত নং14 وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً 
এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে, 
And the earth is moved, and its mountains, and they are crushed to powder at one stroke,-



সূরা নং69,আয়াত নং15 فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ 
সেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে। 
On that Day shall the (Great) Event come to pass.



সূরা নং69,আয়াত নং16 وَانْشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ 
সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে। 
And the sky will be rent asunder, for it will that Day be flimsy,



সূরা নং69,আয়াত নং17 وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا ۚ وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ 
এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে। 
And the angels will be on its sides, and eight will, that Day, bear the Throne of thy Lord above them.



সূরা নং69,আয়াত নং18 يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَىٰ مِنْكُمْ خَافِيَةٌ 
সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না। 
That Day shall ye be brought to Judgment: not an act of yours that ye hide will be hidden.



সূরা নং69,আয়াত নং19 فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَيَقُولُ هَاؤُمُ اقْرَءُوا كِتَابِيَهْ 
অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ। 
Then he that will be given his Record in his right hand will say: “Ah here! Read ye my Record!



সূরা নং69,আয়াত নং25 وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِشِمَالِهِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي لَمْ أُوتَ كِتَابِيَهْ 
যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো। 
And he that will be given his Record in his left hand, will say: “Ah! Would that my Record had not been given to me!



সূরা নং69,আয়াত নং26 وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ 
আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব! 
“And that I had never realised how my account (stood)!



সূরা নং69,আয়াত নং27 يَا لَيْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِيَةَ 
হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত। 
“Ah! Would that (Death) had made an end of me!



সূরা নং69,আয়াত নং28 مَا أَغْنَىٰ عَنِّي مَالِيَهْ ۜ 
আমার ধন-সম্পদ আমার কোন উপকারে আসল না। 
“Of no profit to me has been my wealth!



সূরা নং69,আয়াত নং29 هَلَكَ عَنِّي سُلْطَانِيَهْ 
আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল। 
“My power has perished from me!”…



সূরা নং69,আয়াত নং30 خُذُوهُ فَغُلُّوهُ 
ফেরেশতাদেরকে বলা হবেঃ ধর একে গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও, 
(The stern command will say): “Seize ye him, and bind ye him,



সূরা নং69,আয়াত নং31 ثُمَّ الْجَحِيمَ صَلُّوهُ 
অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। 
“And burn ye him in the Blazing Fire.



সূরা নং69,আয়াত নং32 ثُمَّ فِي سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوهُ 
অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। 
“Further, make him march in a chain, whereof the length is seventy cubits!



সূরা নং 69,আয়াত নং35 فَلَيْسَ لَهُ الْيَوْمَ هَاهُنَا حَمِيمٌ 
অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোন সুহূদ নাই। 
“So no friend hath he here this Day.



সূরা নং75,আয়াত নং1 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ لَا أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ 
আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের, 
I do call to witness the Resurrection Day;



সূরা নং75,আয়াত নং6 يَسْأَلُ أَيَّانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ 
সে প্রশ্ন করে-কেয়ামত দিবস কবে? 
He questions: “When is the Day of Resurrection?”



সূরা নং79,আয়াত নং5 فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا 
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে। 
Then arrange to do (the Commands of their Lord),



সূরা নং79,আয়াত নং7 تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ 
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী; 
Followed by oft-repeated (commotions):



সূরা নং79,আয়াত নং8 قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ 
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে। 
Hearts that Day will be in agitation;



সূরা নং86,আয়াত নং12 وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ 
এবং বিদারনশীল পৃথিবীর 
And by the Earth which opens out (for the gushing of springs or the sprouting of vegetation),-



সূরা নং99,আয়াত নং1 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا 
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে, 
When the earth is shaken to her (utmost) convulsion,



সূরা নং99,আয়াত নং2 وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا 
যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে। 
And the earth throws up her burdens (from within),



সূরা নং99,আয়াত নং3 وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا 
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ? 
And man cries (distressed): ‘What is the matter with her?’-



সূরা নং99,আয়াত নং4 يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا 
সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, 
On that Day will she declare her tidings:



সূরা নং99,আয়াত নং5 بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا 
কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন। 
For that thy Lord will have given her inspiration.



সূরা নং99,আয়াত নং6 يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ 
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়। 
On that Day will men proceed in companies sorted out, to be shown the deeds that they (had done).



সূরা নং99,আয়াত নং7 فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ 
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে 
Then shall anyone who has done an atom’s weight of good, see it!



সূরা নং99,আয়াত নং8 وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ 
এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে। 
And anyone who has done an atom’s weight of evil, shall see it.

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment