নেক সন্তান লাভের আমল গুলো কি?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আসসালামু আলাইকুম

প্রশ্নঃ নেক সন্তান লাভের আমল গুলো জানতে চাই

নাম: মেঘলা

ঠিকানা: কাফরুল,ঢাকা।

    @Meghla Mishu 

    ওয়ালাইকুমুচ্ছালাম

     ________কৃত_______

   হাফেজ ইমরান আহমেদ

জবাব:-

প্রথম কাজ , ১/ সন্তান জন্ম দেয়ার সময়       স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকতে হবে। ২। কোন শিশু বা পশুর সামনে সংগমে রত হবে না ৩। মুস্তাহাব হলো “বিসমিল্লাহ” বলে সহবাস শুরু করা। ভুলে গেলে যখন বীর্যপাতের পূর্বে মনে মনে পড়ে নেবে। ৪। সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করাও আল্লাহর রাসুলের [সা.] সুন্নত। ৫। দুর্গন্ধ জাতীয় জিনিস পরিহার করা উচিত। উল্লেখ্য যে , ধুমপান কিংবা অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। আর এতে কামভাব কমে যায়। আগ্রহের স্থান দখল করে নেয় বিতৃষ্ণা।

​৬। পর্দা ঘেরা স্থানে সংগম করবে। ৭। সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার (চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে। ৮। কোনোভাবেই কেবলামূখী না হওয়া। ৯। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই একেবারে উলঙ্গ হবে না। ১০। বীর্যপাতের পর ততক্ষণাত বিচ্ছিন্ন হবে না, বরং স্ত্রীর বীর্যপাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ১১। বীর্যপাতের সময় মনে মনে নির্ধারিত দোয়া পড়বে। কেননা যদি সে সহবাসে সন্তান জন্ম নেয় তাহলে সে শয়তানের প্রভাব মুক্ত হবে। ১২। নিয়ত ঠিক করুন।

​দোয়াঃ ১–

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ

রব্বি লা-তার্যানী র্ফাদাঁও অআন্তা খাইরুল্ ওয়ারিছীন্। অর্থাৎ হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।

[ সুরা আম্বিয়া ২১:৮৯ ]

​দোয়াঃ ২–

رَبِّ هَبْ لِي مِنْ لَدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ

রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা জুররিয়্যাতান ত্বাইয়্যিবাতান, ইন্নাকা সামিউ’দ দুআ’ই (সূরা আল-ইমরান: আয়াত ৩৮)

অর্থাৎ হে আমাদের প্রভু! আপনার নিকট থেকে আমাকে পূত-পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয় আপনি প্রার্থনা কবুলকারী

رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ﴾

রব্বি হাব্লি মিনাস সলেহিন অর্থাৎ হে পরওয়ারদিগার! আমাকে একটি সৎকর্মশীল পুত্র সন্তান দাও৷” (সুরা সফফাত ১০০)

​দোয়াঃ ৪–

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

​রব্বানা-হাবলানা-মিন্ আয্ওয়া-জ্বিনা-অ র্যুরিয়্যা-তিনা-কুররতা আ’ইয়ুনিঁও অজ্ব্’আল্না-লিল্মুত্তাকীনা ইমা-মা

অর্থাৎ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর করো এবং আমাদেরকে সংযমীদের আদর্শস্বরূপ করো।” (সুরা ফুরকান:৭৪

সবসময় হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে মিথ্যা গীবত পরচর্চা শরীয়তের যাবতীয় দোষ হতে মুক্ত থাকবেন স্বামী স্ত্রী উভয়ই পর্দামত চলবেন গভীর রাত্রে একসাথে ইবাদত করবেন গর্ভবতী অবস্থায় কুরআন খতম করবেন ৷

সুন্নী আকীদা নিয়ে নবী অলীদের সাথে মহব্বত বজায় রাখবেন সন্তানকে ছোট বেলা থেকে অলীদের দরবার ঘুরিয়ে আনবেন.

ইনশাআল্লাহ নেক সন্তান হবে।

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment