জুমার দিনে তিনটি অগণিত সওয়াব সংক্রান্ত মূল্যবান আমলঃ

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

জুমার দিনে তিনটি অগণিত সওয়াব সংক্রান্ত মূল্যবান আমলঃ #COPY #SHARE #Save রাখুন, আমল করুন।

🕋”মিসওয়াক করে যে নামাজ আদায় করা হয়, সে নামাজ মিসওয়াকবিহীন নামাজের তুলনায় ৭০ গুণ বেশি ফজিলত রয়েছে।”

[শুয়াবুল ঈমান, বাইহাকী : হাদিস ২৫১৯]

——————————————————————

🕋 জুমার দিন আগে ভাগে রয়েছে প্রত্যেক কদমে কদমে এক বছর নফল নামাজ ও রোজার সাওয়াব। 

“রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন,

১)জুমার দিন যে ব্যক্তি ভালো করে গোসল করল।

২)অতঃপর বাহনে না চড়ে পা হেঁটে আগে ভাগে মসজিদে গেল।

৩)ইমামের নিকটবর্তী হল।

৪)অনর্থক কথা কর্মে লিপ্ত না হয়ে মনোযোগ সহকারে খুতবা শ্রবণ করল।

তার প্রত্যেক কদম কদমে সে ১ বছর (নফল) নামাজ ও রোজা সওয়াব পাবে।”

[তিরমিযি: (৪৯৬), আবু দাউদ: (৩৪৫), নাসায়ি: (১৩৮১),

 ইবন মাজাহ: (১০৮৭), দারামি: (১৫৪৭), হাকেম: (১০৪১), ইবন খুজাইমাহ: (১৭৫৮)]

——————————————————————

“দুরুদ পড়লে তা থেকে ফেরেশতা সৃষ্ট হয়ে কিয়ামত পর্যন্ত তার উপর ইস্তিগফার-দুরুদ পাঠায়।”

🕋 ইবনে বাশকুয়াল (رحمة الله) হযরত আনাস (رضي الله عنه) থেকে বর্ণনাকারী, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ ফরমান, 

من صلى على تعظيما الحقى خلق الله عزوجل من ذالك القوم 

ملکاله جناح بالمشرق وآخر بالمغرب يقول عزو جل له صل على عبدی کما صلی علی نبي فهو يصلي عليه الى يوم القيامة 

অর্থাৎ, যে আমার উপর আমার হকের তাজিম ও সম্মানের উদ্দেশ্যে দরুদ পেশ করে, আল্লাহ তায়ালা ঐ দরুদ থেকে একজন ফেরেস্তা সৃষ্টি করেন, যার একটি ডানা পূর্ব দিকে, আর একটি ডানা পশ্চিম দিকে বিস্তৃত। আল্লাহ তায়ালা তাকে বলেন, দরুদ প্রেরণ করাে আমার বান্দার উপর, যেভাবে সে আমার নবীর উপর দুরুদ প্রেরণ করেছে। ঐ ফেরেস্তা কিয়ামত পর্যন্ত তার উপর দুরুদ প্রেরণ করতে থাকবেন। 

[° এ রেওয়ায়েত ইমাম ইবনে সাবা এবং ইমাম ফাকেহানীও বর্ণনা করেন। 

° ইমাম আ’লা হযরতঃ ফেরেশতা সৃষ্টির ইতিবৃত্ত কিতাবে বর্ণনা করেন]

🕋 ইমাম সাখাবী  (رحمة الله) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ ফরমান,

“আল্লাহর একজন ফেরেস্তা রয়েছেন যার একটি বাহু পূর্বপ্রান্তে, আরেকটি বাহু পশ্চিম প্রান্তে। যখন কোন ব্যক্তি আমার প্রতি ভালােবাসা ও মুহাব্বতের সাথে দরুদ পাঠ করে ঐ ফেরেস্তা পানিতে ডুব দিয়ে স্বীয় ডানা ঝাড়া দেয়। আল্লাহ তায়ালা তার ডানা থেকে ঝরে পরা প্রত্যেক পানির বিন্দু ও ফোঁটা থেকে একেকজন ফেরেস্তা সৃষ্টি করেন, যারা কিয়ামত পর্যন্ত দরুদ প্রেরণকারীদের উপর ইস্তেগফার এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন। 

[°আ’লা হযরতের সম্মানিত পিতাঃ ‘আল কালামুল আওদাহ্ ফী তাফসীরে আলাম নাশরাহ’ গ্রন্থে ইমাম সাখাবী  (رحمة الله) থেকে।

°আ’লা হযরতঃ ফেরেশতা সৃষ্টির ইতিবৃত্ত কিতাবে বর্ণনা করেন। 

°ইমাম কাস্তালানী(رحمة الله)’র “আল মাওয়াহেবুল লাদুন্নিয়া]

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment