কাজা নামাযের নিয়ম জানতে চাই ও কখন পড়তে হয়?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু

কাজা নামাযের নিয়ম যানতে চাই ও কখন পড়তে হয়?

নামঃসানজানা ঠিকানাঃ বগুড়া

           @سانجانا افرين لابني  

       ওয়ালাইকুমুচ্ছালাম

     _________কৃত_________

     ইমরান আহমেদ আত্তারী

জবাব:–১। ‘ফাওয়ায়েতে কালীল’ অর্থাৎ অল্প কাজা পাঁচ ওয়াক্ত পরিমাণ নামাজ কাজা হইলে উহাকেই ‘ফাওয়ায়েতে কালীল’ বা অল্প কাজা বলে।

২। ‘ফাওয়ায়েতে কাছির’ অর্থাৎ বেশি কাজা। পাঁচ ওয়াক্তের অধিক যত দিনের নামাজই কাজা হউক না কেন উহাকে ‘ফাওয়ায়েতে কাছির’ বা অধিক কাজা বলা হয়। এ ধরনের কাজা নামাজ সকল ওয়াক্তিয়া নামাজের পূর্বে পড়িবে ।

কাজা নামাজের সময়

পূর্ববর্তী ওয়াক্তের নামাজ ‘কাজা’ আদায়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট সময় নেই। নামাজের ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর যখনই নামাজের কথা স্মরণ হবে তখনই পড়ে নেয়া উত্তম। যেমন ধরুন- যদি কেউ ঘুমের কারণে ফজরের নামাজ আদায় না করতে পারে; তবে সে ঘুম থেকে যখনই উঠবে, তখনই নামাজ আদায় করবে। তবে নিষিদ্ধ সময়গুলোতে মনে পড়লে অপেক্ষা করতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বা তার কম নামাজ না পড়িয়া থাকিলে তাহার তরতীবের প্রতি লক্ষ্য রাখিতে হইবে। আগের নামাজ আগে, পরের নামাজ পরে পড়িতে হইবে। যেমন, কোন ব্যক্তির ফরজ এবং যোহরের নামাজ তরক হইয়া গিযাছে; এখন আছরের নামাজ পড়িবার পূর্বে সর্ব প্রথম ফজরের কাজা তারপর যোহরের কাজা আদায় করিতে হইবে এবং তারপর আছরের নামাজ আদায় করিবে।

কাজা নামাজের নিয়ত

কাজা নামাজ এবং ওয়াক্তিয়া নামাজের নিয়ত একই রকম তবে এইটুক পার্থক্য যে কাজা নামাজে (আন উসালি্লয়া) শব্দের জায়গায় (আন আকদিয়া) এবং যে নামাজ তাহার নাম বলিয়া (আল ফাইতাতে বলিতে হইবে। 

ফজরের কাজা নামাজের দুই-রাক’আত ফরজ এর নিয়ত:- 

বাংলা উচ্চারণ

নাওয়াইতুয়ান আকদিয়া লিল্লাহি ত’আলা রাকাআতি ছালাতিল ফাজরি ফায়েতাতি ফারযুল্লাহি তা’আলা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

        🌴মোবারকবাদ🌴

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment