আল কোরআনে নবী করিম (ﷺ) এর মহাত্ম্য

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আয়াতঃ

আমায় এ শহরের শপথ, যেহেতু হে মাহবুব আপনি এ শহরে তশরীফ রাখছেন।

( সূরা বালাদ, আয়াত নাম্বার 1-2 )

এই আয়াত শরীফে যে শহরটির কথা বলা হয়েছে, সেটা হচ্ছে মক্কা শরীফ। এই আয়াত শরীফ থেকে বোঝা গেলো যে, মক্কা শরীফ খুব পবিত্র শহর আর এই শহরটি এত মর্যাদার অধিকারী হয়েছে রসূলে আকরাম স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আবির্ভাবের জন্য।

(তাফসীরে খাযাইনুল ইরফান দ্রষ্টব্য)

আয়াতঃ

নিশ্চয় আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাদের নিকটে একটা নূর এবং একটা স্পষ্ট কিতাব এসেছে।

(সূরা মাইদা, আয়াত নং ১৫)

এই আয়াত শরীফে নূর বলে হুজুর স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে; আর “স্পষ্ট কিতাব” বলে মহাগ্রন্থ আল ক্বুরআনকে বোঝানো হয়েছে।

আয়াতঃ

আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ব জগতের জন্য রহমত করেই পাঠিয়েছি।

(সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং ১০৭)

এই আয়াত শরীফ হতে বোঝা গেলো যে, রসূলে আকরাম নূরে মুজাসসাম রহমতে আলাম স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকলের জন্য রহমত।

আয়াতঃ

(হে মাহবুব) যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি তাদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।

(সূরা আনফাল, আয়াত নং ৩৩)

মক্কা শরীফে যতদিন পর্যন্ত হুজুর স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবস্থান করছিলেন, হিজরত করেননি, ততদিন পর্যন্ত আল্লাহ্ তাআলা মক্কা শরীফের মুশরিকদেরকে শাস্তি দেননি।এর কারণ হচ্ছে এই যে, আল্লাহ্ তাআলা হুজুরকে সমগ্র বিশ্ব বাসীর জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

(খাযাইনুল ইরফান দ্রষ্টব্য)

আয়াতঃ

নিশ্চয় অচিরে আপনার প্রতিপালক আপনাকে এতটা পরিমাণ দিবেন যাতে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।

(সূরা দ্বোহা, আয়াত নং ৫)

আয়াতঃ

নিশ্চয় তোমাদের নিকটে তোমাদের মধ্য থেকে একজন রসূল এসেছেন যিনি তোমাদের কষ্টে কষ্ট পান এবং অধিক মাত্রায় তোমাদের কল্যাণ কামনা করেন। তিনি মুসলমানদের ওপর পূর্ণ দয়ার্দ্র দয়ালু। (সূরা তাওবা, আয়াত নং ১২৮)

আয়াতঃ

তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য আপনি ক্বুরআনের সঙ্গে নিজের জিহ্বাকে সঞ্চালন করবেন না। নিশ্চয় সেটা সংরক্ষিত করা এবং পাঠ করা আমারই দায়িত্বে রয়েছে।

(সূরা ক্বিয়ামাহ্ , আয়াত নং ১৬ -১৭)

শানে নুযূল:

উক্ত আয়াত শরীফ অবতীর্ণ হওয়ার কারণ হচ্ছে এই যে, জিব্রাইল আমীন আলাইহিস সালাম যখন হুজুর স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ওহী নিয়ে আসতেন, তখন ওহী নাযিল হওয়ার সময় অর্থাৎ ওহী সমাপ্ত হওয়ার পূর্বেই হুজুর স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওহী মুখস্থ করার চেষ্টা করতেন আর দ্রুত পাঠ করার জন্য নিজের পবিত্রতম ঠোঁট মোবারককে তাড়াতাড়ি নড়াতেন। আল্লাহ্ তাআলা নিজের হাবীবের এতটুকু কষ্টও পছন্দ করেননি।ক্বোরআনে করীমকে হুজুরের পবিত্র বক্ষে সংরক্ষিত করা এবং পবিত্র মুখে পাঠ করানো আল্লাহ্ তাআলা নিজ করুনার দায়িত্বে নিয়ে নিলেন।

(খাযাইনুল ইরফান দ্রষ্টব্য)

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment