দরসে হাদিসঃ (যদি আমি আমার ভাইদেরকে দেখতে পেতাম!!!)

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

দরসে হাদিসঃ (যদি আমি আমার ভাইদেরকে দেখতে পেতাম!!!)

⛔ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন,
“হায়! যদি আমি আমার ভাইদেরকে দেখতে পেতাম! সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ (ﷺ)! আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বললেন, তোমরা তো আমার বন্ধু। আমার ভাই তারা, যারা এখনো দুনিয়ায় আসেনি।”
★ সহিহ মুসলিম
★ মিশকাতুল মাসাবিহ

উক্ত হাদিসের ব্যখ্যা ও শিক্ষাঃ
ধারাবাহিকভাবে আলোচিত হয়েছে তাই পুরোটা না পড়লে বোঝা যাবে না।
ব্যাখ্যাকারকঃ (মাসুম বিল্লাহ সানি)

১) সুবহানাআল্লাহ এখানে উক্ত সময়ের জন্য (আমাদের মত) অনাগত উম্মতগণের প্রতি রাসুল (ﷺ) এর অপরিসীম ভালবাসা, মায়া-মুহাব্বত ও সাক্ষাতের আকাঙ্খা ব্যক্ত হয়েছে।

২) বিভিন্ন বর্ননায় পাওয়া যায়, আল্লাহ সুবহানু তায়ালা রাসুল (ﷺ) কে “আলমে আরওয়াহ (রুহের জগৎ) তেই সমস্ত উম্মতে মোহাম্মদীকে উপস্থিত করেছেন, দেখিয়েছেন এবং তাদের মধ্যে কে ওনার প্রতি ইমান আনবে আর কে ইমান আনবে না সেসব জ্ঞানও ওনাকে তখনই দেয়া হয়েছে। যেমনঃ

⛔ ইমাম কাযী আয়ায (রহঃ) এর শেফা শরীফ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ নসিমুর রিয়ায এ উল্লেখিত আছেঃ

হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) থেকে আরম্ভ করে রোজ কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত আদম সন্তানকে হুযুর (ﷺ) এর সম্মুখে উপস্থাপিত করা হয়েছিল। তিনি (ﷺ) তাদের সবাইকে চিনেছিলেন যেমনিভাবে হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) কে সবকিছুর নাম শিখানো হয়েছিল।

সুতরাং এই হাদিস হল উম্মতের প্রতি রাসুল (ﷺ) অগাধ ভালবাসার নিদর্শন।

৩) তাছাড়া এর মানে এও নয় যে, রাসুল (ﷺ) আমাদেরকে এখন দেখতে সমর্থ নন (নাউজুবিল্লাহ) যারা তা মনে করে তাদেরকে আল্লাহ হেফাযত করুন।

⛔ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

“আল্লাহ তা’আলা আমার সামনে সারা দুনিয়াকে তুলে ধরেছেন। তখন আমি এ দুনিয়াকে এবং এতে কিয়ামত পর্যন্ত যা’কিছু হবে এমন ভাবে দেখতে পেয়েছি, যেভাবে আমি আমার নিজ হাতকে দেখতে পাচ্ছি।
★ ইমাম যুরকানী (রহঃ) : শরহে মাওয়াহেবে লাদুনিয়া।

⛔ হযরত ছওবান (রাঃ) থেকে বর্ণনা করা হয়েছেঃ
“আল্লাহ তাআলা আমার সম্মুখে গোটা পৃথিবীকে এমনভাবে সঙ্কুচিত করেছেন, যে আমি পৃথিবীর পূর্বপ্রান্ত ও পশ্চিমপ্রান্ত সমূহ স্বচক্ষে অবলোকন করেছি।”
★ মিশকাত শরীফের ‘ফযায়েলে সায়্যিদুল মুরসালীন’ শীর্ষক অধ্যায়ে ‘মুসলিম শরীফের’ বরাত দিয়ে।

⛔ হুযুর গাউছে পাক শায়েখ হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) ফরমানঃ

“আমি আল্লাহ তাআলার সমস্ত শহরগুলোকে এভাবে দেখেছি যেমন কয়েকটি তৈলবীজ পরস্পর সন্নিবেশিত হয়ে আছে।”

⛔ ইমাম শাইখ আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলবী (রহঃ) তার রচিত ‍যুবদাতুল আসরার গ্রন্থে হযরত গাউছে পাকের (রহঃ) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রণিধানযোগ্য উক্তির বর্ণনা দিয়েছেনঃ

গাউছে পাক (রহঃ) ফরমানঃ
“হে সাহসীভক্তগণ!হে আমার সন্তানগণ!
এসো আমার এ অকুল সমুদ্র থেকে কিছু আহরণ কর। খোদার কসম নেককার ও বদকার লোকদেরকে আমার সামনে উপস্থিত করা হয় আর আমরা চোখের কোনা লওহে মাহফুজের দিকে নিবদ্ধ থাকে। আমি আল্লাহ তাআলার অপার জ্ঞান সমুদ্রে ডুব দিয়ে থাকি।”

⛔ ইমাম আল্লামা আব্দুর রহমান জামী (রহঃ) তার রচিত نفحات الانس কিতাবে হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নকশবন্দী (রহঃ) এর একটি উক্তি উল্লেখ করেছেন। উক্তিটি হলঃ

হযরত আযীযান (রহঃ) বলেন যে,
একদল আওলিয়া কিরামের সামনে পৃথিবীটা দস্তরখানার মত আর আমি মনে করি আঙ্গুলের নখের মত। কোন বস্তুই তাদের দৃষ্টি বহির্ভূত নয়।

তাই বলা যায় যেখানে আল্লাহর ওলীগণের এত ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছেন সেখানে রাসুল (ﷺ) এর ক্ষমতা কতটুকু হতে পারে তা কল্পনাতীত।

⛔ হযরত আবুযর গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছেঃ

لَقدْ تَرَكْنَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمْ وَما يُحَرِّكُ طَائِرٌ جَنَاحَيْهِ اِلَّا ذَكَرَلَنَا مِنْهُ عِلْمًا

হুযুর আলাইহিস সালাম আমাদেরকে এমনভাবে অবহিত করেছেন যে, একটা পাখীর পালক নড়ার কথা পর্যন্ত তার বর্ণনা থেকে বাদ পড়েনি।
♦ ইমাম আহমদ (রহঃ) : মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল।

⛔ আয়াতঃ “এ রসুল তোমাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী ও সাক্ষী হবেন।”

(a) তাফসীরে খাযেনে এ আয়াতেন ব্যাখায় লিখা হয়েছেঃ

অতঃপর কিয়ামতের দিন হুযুর (ﷺ) কে আহবান করা হবে। এর পর আল্লাহ তাআলা তাকে তার উম্মতের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। তখন তিনি তাদের পবিত্রতা ও সত্যতার সাক্ষ্য দিবেন।

(b) তাফসীরে মাদারেকে ২য় পারার সূরায়ে বাকারার এ আয়াতের তাফসীরে লিখা হইয়াছেঃ

অর্থাৎঃ হুজুর (ﷺ) মুমিনদের ঈমান এবং কাফেরদের কুফরী ও মুনাফিকদের মুনাফেকীর সাক্ষী।”

⛔ রাসুলগণকে আল্লাহ তায়ালা গায়েব জানিয়েছেন তাই ওনারা গায়েবও জানেন এই আয়াতগুলোতে বিস্তারিতঃ
সূরা আল-ইমরান ১৭৯,৪৪
সূরা নিসা ১১৩
সূরা হূদ ৪৯
সূরা ইউসূফ ১০২
সূরা জ্বিন ২৭
সূরা তাকভির ২৪

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর ইলমে গায়েব সম্পর্কিত কিতাব ও পোস্ট সমূহঃ

⛔ শুধু তাই নয় রাসুল (ﷺ) এর নিকট আমাদের আমলগুলো প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার প্রেরণ করা হয়। তিনি আমাদের আমল সম্পর্কেও অবগত আছেন।

⛔ যে ব্যক্তি ওনার উপর দুরুদ প্রেরণ করেন তার ও তার পিতা-মাতার নামসহ এ কাজে নিযুক্ত ফেরেশতা রাসুল (ﷺ) এর নিকট পৌঁছে দেন। আর আশেকদের সালাত ও সালাম তিনি নিজ কানে শ্রবণ করতে পারেন।

⛔ আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাহ এর আকিদা হল রাসুল (ﷺ)  হায়াতুন্নবী। এ ব্যপারে আল-কুরআনেঃ
★ সূরা বাকারা ২ : ১৫৪,
★ সূরা আল-ইমরান ৩:১৬৯ সহ অগণিত সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেমনঃ

⛔ বিভিন্ন সহীহ হাদিসে বর্ণিত আছেঃ
হযরত আউস ইবনে আউস [رضي الله عنه] থেকে বর্ণিত আছে যে, হুযূর নবী আকরাম [ﷺ] ইরশাদ করেন,
আল্লাহ তা’আলা ভূমির জন্য সম্মাণিত নবীগণের দেহ মুবারক (ভক্ষণ করা) হারাম করে দিয়েছেন।”
অপর বর্ণনায় আছে যে, হুযূর [ﷺ] বলেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমাদের দেহকে খেয়ে ফেলা ভূমির উপর হারাম করে দিয়েছেন।
(হাদিসের মানঃ সহিহ)
সূত্রঃ
১|| আবূ দাউদ: আস্ সুনান, কিতাবুস সালাত, ১/২৭৫, হা-১০৪৭ এবং কিতাবুস সালাত, ২/৮৮, হা-১৫৩১;
২|| নাসাঈ: আস্ সুনান, কিতাবুল জুমু’আ, ৩/৯১, হা-১৩৭৪;
এবং আস্ সুনানুল কুবরা, ১/৫১৯, হা-১৬৬৬;
৩|| ইবনু মাজাহ্: আস্ সুনান, কিতাবু ইকামাতিস সালাত, ১/৩৪৫, হা-১০৮৫;
৪|| দারেমী: আস্ সুনান, ১/৪৪৫, হা-১৫৭২;
৫|| আহমদ ইবনে হাম্বল: আল মুসনাদ, ৪/৮, হা-১৬২০৭;
৬|| আবূ শায়বাহ্: আল মুসান্নাফ, ২/২৫৩, হা-৭৬৯৭;
৭|| ইবনে খুজায়মা: আস্ সহীহ, ৩/১১৮, হা-১৭৩৩-১৭৩৪;
৮|| ইবনে হিব্বান: আস্ সহীহ, ৩/১৯০, হা-৯১০;
৯|| হাকেম: আল মুসতাদরাক, ১/৪১৩, হা-১০২৯;
১০|| বাযার: আল মুসনাদ, ৭/৪১১, হা-৩৪৮৫;
১১|| তাবরানী: আল মু’জামুল আওসাত, ৫/৯৭, হা-৪৭৮০;
এবং মু’জামুল কবীর, ১/২৬১, হা-৫৮৯;
১২|| বায়হাকী: আস্ সুনানুস সগীর, ১/৩৭১, হা-৬৩৪; আস্ সুনানুল কুবরা, ৩/২৪৮, হা-৫৭৮৯; শু’আবুল ঈমান, ৩/১০৯, হা-৩০২৯;
১৩|| যাহদ্বামী: ফাদ্বলুস্ সালাতি আলান্ নবী, হা-২২;
১৪|| ওয়াদীয়াশী: তুহফাতুল মুহতাজ, ১/৫২৪, হা-৬৬১;
১৫|| আসকালানী: ফাতহুল বারী, ১১/৩৭০;
১৬|| আযলূনী: কাশফুল খিফা, ১/১৯০, হা-৫০১;
১৭|| ইবনে কাসীর, তাফসীরিল কুরআনিল আযীম, ৩/৫১৫]

⛔ এ বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জনের জন্য নিম্নের কিতাবগুলো পড়া যেতে পারে।
★ ইমাম ইবনে আবিদ দুন’য়া (রহঃ) [২০৮-২৮১হিঃ] :
মান ‘আশা বা’দাল মওত (মৃত্যর পর জীবিত হলেন যারা)
★ ইমাম বায়হাকী (রহঃ) [৩৮৪-৪৫৮হিঃ] : হায়াতুল আম্বিয়া
★ ইমাম জালালুদ্দীন সূয়ূতী (রহঃ) [৮৪৯-৯১১হিঃ] : নবীগণ (আলাইহিমুল সালাম) স্বশরীরে জীবিত ও মুমিনের কবরজীবন।

৪) এই হাদিস দ্বারা আবার ওনাকে যদি কেউ ভাই বলে সাব্যস্থ করেন তাহলে এটা হবে চরম বেয়াদবী।
প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আম (সাধারণ)  ও হাকিকী (প্রকৃত) শব্দের ব্যবহার রয়েছে। এখানে শব্দটি আমভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ তিনি আমাদের আক্বা। আমরা ওনার উম্মত, ওনার হুকুমের আনুগত্যকারী গোলাম (চাকর)। প্রত্যেক হাদিস কিংবা মাসআলার সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বর্নণা ও ব্যখ্যা রয়েছে।
যা সংক্ষেপে এক কথায় বুঝানো সম্ভব নয়। যেমনঃ

⛔ রাসুল (ﷺ)  আল্লাহ পাকের হাবিব। রাসুল (ﷺ) এর সম্মানিত অনেক নাম মোবারক রয়েছে। সেইগুলো দ্বারাই ওনাকে সম্বোধন করা আদব।

⛔ রাসুল (ﷺ) সমস্ত রূহের পিতা আর আদম (আ) সমস্ত মানবজাতির দেহের পিতা।
★ জগতবিখ্যাত মুফাসসির ও ইমাম, হাকিমুল উম্মাহ মুফতি ইয়ার খান নঈমী (রহঃ) : (বিশ্বনবী নূরের রবি)

⛔ আবার আল-কোরআনে এও বলা হয়েছে তিনি কোন পুরুষের পিতা ননঃ
مَا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِنْ رِجَالِكُمْ وَلَكِنْ رَسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ
‘মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন বরং তিনি আল্লাহর রাসূল ও নবীগণের শেষ সমাপ্তি।”(আহযাবঃ৪০)
(অথচ আমরা জানি ওনার স্বীয় পুত্রের নাম আবুল কাশেম কিন্তু তিনি পুরুষ বয়সে উন্নীত হওয়ার আগেই ইন্তেকাল করেন। এই আয়াত মূলত ওনার এক পালক পুত্রকে উদ্দেশ্য করে। যা হোক এই আয়াতেরও বিশাল ব্যখ্যা রয়েছে। শানে নুযুল রয়েছে। তা বলে আর দীর্ঘায়িত করতে চাই না)

⛔ তিনি (ﷺ) আবার সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষকও বটে। যেমনঃ

“তিনিই, যিনি (আল্লাহ) উম্মী লোকদের মধ্যে তাদেরই মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেন যেন তাদের নিকট তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমতের জ্ঞান দান করেন আর নিশ্চয় নিশ্চয়  তারা ইতোপূর্বে সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতার মধ্যে ছিলো।”
(সূরা জুমুআহ ২)

⛔ তিনি (ﷺ) যদিও মানব রূপে এসেছেন। তিনি যদিও বাশার (মানব) তবুও তিনি আমাদের মত মানুষ নন। তাঁর উপমা তিনি নিজেই। কবির ভাষায়ঃ
তিনি মানুষ তো বটে কিন্তু এমন মানুষ, যেমন পাথরের মধ্যে ইয়াকূত। কারণ ইয়াকূতও পাথর কিন্তু সর্বশ্রেষ্ঠ পাথর।
★ ওহাবীদের নেতা আশরাফ আলী থানভী : শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ)

⛔ যেমনঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমরা সওমে বিসাল পালন করবে না। লোকেরা বলল, আপনি যে সওমে বিসাল করেন? তিনি বললেনঃ
“””আমি তোমাদের মত নই। আমাকে পানাহার করানো হয় (অথবা বললেন) আমি পানাহার অবস্থায় রাত অতিবাহিত করি। “””
★ সহিহ বুখারী ৭২৪১,
★ মুসলিম ১৩/১১, হাঃ ১১০৪
★ আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৩৪
এ সম্পর্কে অসংখ্য সহিহ হাদিস – সিহাহ সিত্তায় “সওমে বিসাল” নামে Chapter (অনুচ্ছেদ) এ লিপিবদ্ধ হয়েছে। তিনি তো নুরুল বাশার, নূরে মুজাচ্ছম (ﷺ)।

এ বিষয়ে বিস্তারিতঃ

পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে আপনার মূল্যবান মতামত জানান প্লিজ!

Leave a Comment