রাসূলে আরাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরমানঃ-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ قَال أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ{رواه الترمذي
অর্থঃ- আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইলম (জ্ঞান) অর্জন করার উদ্দেশ্যে পথ চলবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সুগম করে দিবেন।
রেফারেন্সঃ-
১) তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-২৬৪৬,
২) ইবনু মাজাহ শরীফ, হাদীস নং- ২২৩,
৩) সহিহুল জামে‘ হাদীস নং- ৬২৯৮, সনদ সহিহ।
✔ আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
অর্থঃ- তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং আল্লাহ যাদেরকে জ্ঞান দান করেছেন তাদেরকে উচ্চমর্যাদায় উন্নীত করবেন। তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ অবহিত।’ (মুজাদালাহ- ১১ নং আয়াত)।
✔ অন্য হাদিসে এসেছে,
عَنْ أَبِى أُمَامَةَ الْبَاهِلِىِّ قَالَ ذُكِرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاَنِ أَحَدُهُمَا عَابِدٌ وَالآخَرُ عَالِمٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِى عَلَى أَدْنَاكُمْ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ وَمَلاَئِكَتَهُ وَأَهْلَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ حَتَّى النَّمْلَةَ فِى جُحْرِهَا وَحَتَّى الْحُوتَ لَيُصَلُّونَ عَلَى مُعَلِّمِ النَّاسِ الْخَيْرَ.
অর্থঃ- আবু উমামা আল-বাহিলি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে দু’জন লোকের কথা উল্লেখ করা হলো। যাদের একজন আলিম অপরজন আবিদ। তখন তিনি বলেন, আলিমের মর্যাদা আবিদের ওপর। যেমন আমার মর্যাদা তোমাদের সাধারণের উপর। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিশ্চয়ই তার প্রতি আল্লাহ রহমত করেন এবং তার ফেরেশতামন্ডলী, আসমান-জমিনের অধিবাসী, পিপীলিকা তার গর্তে থেকে এবং এমনকি মাছও কল্যাণের শিক্ষা দানকারী (আলেম) ব্যক্তির জন্য দোয়া করেন।
রেফারেন্সঃ-
১) তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-২৬৮৫,
২) মিশকাত শরীফ, হাদীস নং-২১৩, সনদ হাসান।
✔ অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا سَلَكَ اللَّهُ بِهِ طَرِيقًا مِنْ طُرُقِ الْجَنَّةِ وَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ وَإِنَّ الْعَالِمَ لَيَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِى السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِى الأَرْضِ وَالْحِيتَانُ فِى جَوْفِ الْمَاءِ .
‘যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করার উদ্দেশ্যে কোনো পথ অবলম্বন করে আল্লাহ তা‘আলা তা দ্বারা তাকে জান্নাতের কোন একটি পথে পৌঁছে দেন এবং ফেরেশতাগণ ইলম অন্বেষণকরীর উপর খুশি হয়ে নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। এ ছাড়া আলেমদের জন্য আসমান ও জমিনের সকল অধিবাসী আল্লাহর নিকট দোয়া ও প্রার্থনা করে। এমনকি পানির মধ্যে বসবাসকারী মাছও (তাদের জন্য দোয়া করে)।
রেফারেন্সঃ-
১) আবু দাউদ শরীফ, হাদীস নং-৩৬৪১,
২) মিশকাত শরীফ, হাদীস নং-২১২,
৩) সহিহুল জামে‘ হাদীস নং-৬২৯৭, সনদ সহিহ।
✔ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ
‘প্রত্যেক মুসলিমের ওপরে জ্ঞান অন্বেষণ করা ফরজ।
রেফারেন্সঃ-
১) ইবনু মাজাহ শরীফ, হাদীস নং-২২৪,
২) মিশকাত শরীফ, হাদীস নং- ২১৮, সনদ হাসান।
✔ মহান আল্লাহ বলেন,
وَمَا كَانَ الْمُؤْمِنُونَ لِيَنْفِرُوا كَافَّةً فَلَوْلَا نَفَرَ مِنْ كُلِّ فِرْقَةٍ مِنْهُمْ طَائِفَةٌ لِيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ.
‘সুতরাং এমন কেন হয় না যে, তাদের প্রত্যেকটি বড় দল হতে এক একটি ছোট দল বের হবে, যাতে তারা দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করতে পারে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করতে পারে যখন তারা ওদের নিকট প্রত্যাবর্তন করে, যেন তারা সতর্ক হয়।’ (সূরা তওবা ৯/১২২)
✔ আল্লাহ বলেন,
عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ
‘আমি মানুষকে শিক্ষা দিয়েছি, যা সে জানত না।’ (সূরা আলাক ৯৬/৫)
✔ আল্লাহ তাআলা বলেন,
يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ
‘তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত দান করেন এবং যাকে হিকমত দান করা হয় তাকে প্রভূত কল্যাণ দান করা হয় এবং কেবল বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শিক্ষা গ্রহণ করে।’ (সূরা বাকারাহ ২/২৬৯) এ সম্পর্কে
✔ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِى الدِّين مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ
আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন’।
রেফারেন্সঃ-
১) ইবনু মাজাহ শরীফ, হাদীস নং- ২২৩,
২) সহিহুল জামে‘ হাদীস নং-৬২৯৭, সনদ সহিহ।
‘আলিমগণই নবীদের প্রকৃত উত্তরাধিকারী : রক্ত সম্পর্ক কিংবা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে কোন ব্যক্তির ওয়ারিশ হওয়া যায়। কিন্তু ইলম এমন একটি মূল্যবান সম্পদ, যে ব্যক্তি তা অর্জন করবে আল্লাহ তাকে নবীদের ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী বানাবেন। সুতরাং আল্লাহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা সম্পন্ন ব্যক্তিরা মূলত নবীদের উত্তরাধিকারী। আর উত্তরাধিকার জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।
✔ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
إِنَّ الْعُلَمَاءَ هُمْ وَرَثَةُ الأَنْبِيَاءِ إِنَّ الأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلاَ دِرْهَمًا إِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ فَمَنْ أَخَذَهُ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِرٍ.
‘আলেমরাই নবীগণের উত্তরাধিকারী। নবীগণ দিনার বা দিরহামের উত্তরাধিকারী করেন না। বরং তারা ইলমের উত্তরাধিকারী করেন। ফলে যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করল সে বৃহদাংশ গ্রহণ করল।
রেফারেন্সঃ- বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৭১।
অতএব দ্বীনি ইলম অর্জন করলে নবীদের উত্তরাধিকারী হওয়া যায়।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর নিকট উপকারী ইলমের প্রার্থনা করতেন। হাদিসের ভাষায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি ফজর সালাতের পর প্রার্থনা করতেন এই বলে যে,
اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً
‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট উপকারী জ্ঞান, কবুলযোগ্য আমল ও পবিত্র রুজি প্রার্থনা করছি।’
রেফারেন্সঃ- ১) মুসনাদে আহমাদ,
২) ইবনে মাজাহ,
৩) তাবারানি,
৪) মিশকাত শরীফ, হাদীস নং-২৪৯৮। আলেমের দায়িত্ব ইলমের প্রচার প্রসার
✔ আল্লাহ বলেন,
يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ بَلِّغْ مَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ وَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَمَا بَلَّغْتَ رِسَالَتَهُ
‘হে রাসূল! পৌঁছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে। আর যদি আপনি এরূপ না করেন তবে আপনি তাঁর পয়গাম পৌঁছালেন না।’ (সূরা মায়েদা ৫/৬৭)
এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
بَلِّغُوا عَنِّى وَلَوْ آيَةً
‘আমার পক্ষ হতে মানুষের নিকটে পৌঁছে দাও, যদি একটি আয়াতও হয়’।
রেফারেন্সঃ-
১) বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৩৪৬১,
২) তিরমিজি শরীফ, হাদীস নং-২৬৬৯।
পক্ষান্তরে আলিমগণ দ্বীন প্রচারে অবহেলা করলে কিংবা বিরত থাকলে তাদের অবস্থা হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। হাদিসে এসেছে,
عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمِ يُجَاءُ بِالرَّجُلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُلْقَى فِى النَّارِ فَتَنْدَلِقُ بِهِ أَقْتَابُهُ فَيَدُورُ بِهَا فِى النَّارِ كَمَا يَدُورُ الْحِمَارُ بِرَحَاهُ فَيُطِيفُ بِهِ أَهْلُ النَّارِ فَيَقُولُونَ يَا فُلاَنُ مَا لَكَ مَا أَصَابَكَ أَلَمْ تَكُنْ تَأْمُرُنَا بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَانَا عَنِ الْمُنْكَرِ فَقَالَ كُنْتُ آمُرُكُمْ بِالْمَعْرُوفِ وَلاَ آتِيهِ وَأَنْهَاكُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ وَآتِيهِ.
ওসামা ইবনু যায়েদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এক ব্যক্তিকে ক্বিয়ামতের দিন নিয়ে আসা হবে। তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। এতে করে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাবে। আর সে তা নিয়ে ঘুরতে থাকবে যেমনভাবে গাধা আটা পিষা জাঁতার সাথে ঘুরতে থাকে। জাহান্নামিরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনি কি আমাদের ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজের নিষেধ করতেন না? সে বলবে, হ্যাঁ। আমি তোমাদের ভালো কাজের আদেশ করতাম, কিন্তু নিজে করতাম না। আর খারাপ কাজের নিষেধ করতাম কিন্তু নিজেই তা করতাম।
রেফারেন্সঃ-
১) বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৩২৬৭;
২) মিশকাত শরীফ, হাদীস নং- ৫১৩৯।
✔ মৃত্যুর পর মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায় অথচ দ্বীনি ইলম অর্জন করে শিক্ষা দিলে তা কবরে পৌঁছানোর অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে পরিগণিত হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ
‘যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তিনটি আমল ব্যতীত। এই তিনটি আমল হলো, প্রবহমান ছাদাকা, এমন ইলম যা দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় এবং এমন সুসন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।
রেফারেন্সঃ- মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-১৬৩১।
এ পর্যন্ত ইলম আলেম এবং ইলম প্রচারের গুরুত্ব ও ফজিলতের ব্যাপারে সামান্য আলোকপাত করা হলো ৷
যারা ইলমে দ্বীনের পথে আসতে পারেননি তাদের দায়িত্ব হলো আলেমদের মুহাব্বত করা, সুহবতে থেকে প্রয়োজনীয় ইলম শিখে নেওয়া, তাদের সম্মান করা, মর্যাদা দান করা ৷ সাহায্য সহযোগিতা করা ৷
যারা আলেমদের সম্মান দেবেন আল্লাহ তাদেরকেও সম্মান করবেন ৷ তবে নিয়্যাত ঠিক থাকতে হবে ৷ কোনো স্বার্থ ছাডাই সম্মান দিতে হবে ৷ তখন দেখা যাবে এক সময় স্বার্থও হাসিল হবে সম্মানও বাড়বে ৷
আলেমদেরকে দলীয় বিবেচনার উর্দ্ধে স্থান দিতে হবে ৷ রাজনীতির উর্দ্ধে রাখতে হবে ৷ কারণ আলেমরা সার্বজনিন ৷ কিছু দেখলেই অমুক আলেম এমন হয়েগেছে, অমুক দলের দালাল হয়েগেছে এমন বলা যাবে না ৷ বললে আলেমের ক্ষতি হবে না ক্ষতি হবে আপনার নিজের ৷ অনেক বাস্তবতা এর সাক্ষি ৷
তাই সকলকে বলব আলেমদের নিঃস্বার্থ সম্মান করতে শিখেন ৷ স্বার্থও হাসিল হবে নিজের সম্মানও বৃদ্ধি পাবে।
আলমদের প্রতি যদি বিরূপ মনোভাব রাখেন, স্বার্থের বশবর্তি হয়ে দেখানোর জন্য সম্মান দেখান স্বার্থও হাসিল হবে না কাংখিত সম্মানও পাবেন না ৷ এরও দীর্ঘ বাস্তবতা এর প্রমাণ ৷
আলেমদেরও উচিত নিজেদের স্বকীয়তা সার্বজনীনতা, এবং গ্রহণযোগ্যতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা ৷ আলেমরাতো কোরআন হাদীস তথা দ্বীনি ইলমের ফেরিওয়ালা ৷ এর চাইতে উত্তম মর্যাদা তাদের জন্য কি আছে ৷ সুতরাং তারা কেন দুনিয়াবী বিভিন্ন মত পথের হয়ে নিজেদের উপস্থাপন করতে যাবে ৷ বরং তাদেরকে তাদের সঠিক অবস্থানে অটল অবিচল থাকতে হবে ৷ দলে দলে উম্মতকে বিভক্ত করবে না ৷ সব দল মত এবং পথের হেদায়াতের জন্য তারা হবে রাহবরের ভুমিকায় ৷ স্বার্থের দ্বন্ধে তারা জড়াতে পারবে না ৷ তখন স্বার্থ তাদের সালাম করবে ৷ সম্মান তাদের পিছু নেবে ৷
ইসলামের দীর্ঘ ইতিহাস এর প্রমাণ ৷





Users Today : 354
Users Yesterday : 357
This Month : 32391
This Year : 171868
Total Users : 287731
Views Today : 30655
Total views : 3404906